মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

খাবার বড়ি আপন

আপন একটি স্বল্প মাত্রার খাবার বড়ি।

যাদের জন্য উপযুক্ত

  1. যারা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন-সন্তান জন্মের ৬ সপ্তাহ থেকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত।
  2. যারা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না-প্রসবের পরপরই শুরু করতে পারেন।
  3. যে সকল মহিলা ইস্ট্রোজেন সমৃদ্ধ বড়ি খেলে সমস্যা হয় তারাও এ বড়ি খেতে পারেন।
  4. অন্যান্য জন্ম নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি বন্ধ করার সাথ সাথে এই বড়ি খেতে পারেন।

যাদের জন্য উপযুক্ত নয়

  • উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, গত ৬ মাসে জন্ডিসে ভুগেছেন অথবা বর্তমানে জন্ডিসে ভূগছেন,স্তনে শক্ত চাকা/পিন্ড, যক্ষা রোগের ঔষধ(রিফামপিসিন) বা মৃগী রোগের ঔষধ (ফেনিটয়েন,ফেনোবারবিটন,কার্বামাজাপাইন) সেবন করলে দুই মাসিকের মাঝামাঝি সময়ে অথবা সহবাসের পর রক্তস্রাব হলে,পায়ের শিরা ফুলে থাকলে এবং এগুলো থেকে ব্যাথা হলে।


সুবিধা

  •  সহজলভ্য, নিরাপদ ও কার্যকর।
  •  স্বল্পমাত্রা, অস্থায়ী ও স্বল্পমেয়াদি।
  •  মায়ের দুধের পরিমানগত ও গুনগত মান পরিবর্তন হয় না।
  •  সহবাসে বাধা সৃষ্টি করে না।
  •  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম।
  •  যাদের ইস্ট্রোজেন সমৃদ্ধ বড়ি খেলে সমস্যা হয় তারা এই বড়ি খেতে পারেন।
  • যে কোন বয়সি মহিলা এমনকি ৩৫ বছর উর্দ্ধে এবং ধুমপায়ী/তামাক জাত দ্রব্য সেবনকারি এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
  • মাসিক পূর্ববর্তী উপসর্গ(Pre-menstrual symtoms) যেমন শরীর ব্যাথা, ম্যাজম্যাজে ভাব,মাথাব্যাথা,মনখারাপ হওয়া,শরীরে পানির আধিক্য ইত্যাদি কমায়।

 

অসুবিধা

  • প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খেতে হয়।বড়ি খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় থেকে ৩ ঘন্টার বেশি বিলম্ব হলে বড়ির কার্যকারিতা কমে যায়।
  • যৌনরোগ প্রতিরোধ করে না।
  • ফোটা ফোটা বা অনিয়মিত রক্তস্রাব বা মাসিক বন্ধ থাকতে পারে।
  • যক্ষা ও মৃগি রোগের ঔষধ বড়ির কার্যকারিতা কমায়।


বড়ি খাওয়া শুরু করার উপযুক্ত সময়

  • যারা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন তারা সন্তান জন্মের ৬ সপ্তাহ পূর্ন হলেই বড়ি খাওয়া শুরু করবেন ( মাসিক হোক বা না হোক)।
  • যারা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছন না তারা সন্তান জন্মের পর থেকেই শুরু করবেন।
  • যাদের মাসিক নিয়মিত হচ্ছে তারা মাসিক শুরুর প্রথম দিন থেকেই শুরু করবেন, তবে ১ম দিন থেকে ৫ম দিনের মধ্যে খাওয়া যেতে পারে।
  • গর্ভবতী নন নিশ্চিত হলে মাসিক চক্রের যে কোন দিন বড়ি খাওয়া যেতে পারে এক্ষেত্রে প্রথম ৭ দিন কন্ডম ব্যবহার করবেন অথবা সহবাস থেকে বিরত থাকবেন।
  • অন্যান্য জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বন্ধ করার সাথে সাথে এ বড়ি খাওয়া যেতে পারে।

 


বড়ি খাওয়ার নিয়ম

  • প্রতিদিন একই সময়ে একটি করে বড়ি খেতে হবে।
  • একটি পাতার সবগুলো বড়ি খাওয়া শেষ হলে পরদিনই নতুন পাতার বড়ি খেতে হবে দুই পাতার মাঝে বিরতি দেয়া যাবে না।


বড়ি খেতে ভূলে গেলে করণীয়

  • বড়ি খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় থেকে ৩ ঘন্টার মধ্যে মনে পড়লে সাথে সাথে ভূলে যাওয়া বড়িটি খেতে হবে এবং পরবর্তি বড়িগুলো নির্দিষ্ট সময়ে খেতে হবে।
  • বড়ি খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় থেকে ৩ ঘন্টা বিলম্বের ক্ষেত্রে মনে পড়ার সাথে সাথে ভূলে যাওয়া বড়িটি খেতে হবে এবং ঐদিনের বড়িটি যথাসময়ে খেতে হবে,সহবাসের ক্ষেত্রে পরের দুইদিন কন্ডম ব্যবহার করতে হবে অথবা সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • একের অধিক বড়ি খেতে ভূলে গেলে মনে পড়ার সাথে সাথে একটি বড়ি খেতে হবে এবং পরবর্তি বড়ি গুলো যথাসময়ে খেতে হবে এবং সহবাসের ক্ষেত্রে পরবর্তি ৭ দিন কন্ডম ব্যবহার করতে হবে অথবা সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে।


পদ্ধতি পরিবর্তন

  • শধুমাত্র প্রজেস্টরণ সমৃদ্ধ খাবার বড়ি ব্যবহারকারী গণ প্রসবের ৬ মাস পূর্ন হলেই পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে।
  • শুধুমাত্র প্রজেস্টরণ সমৃদ্ধ খাবার বড়ি #আপন# পাতার শেষ বড়ি খাওয়া হলে পরদিন থেকে মিশ্র খাবার বড়ি বা ইনজেকশন বা ইমপ্ল্যান্ট বা কপার টি পদ্ধতি শুরু করতে পারেন তবে পরবর্তি ৭ দিন সহবাসের ক্ষেত্রে কন্ডম ব্যবহার করতে হবে অথবা সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • কন্ডম বা পুরুষ স্থায়ী পদ্ধতি বা মহিলা স্থায়ী পদ্ধতি শুধু মাত্র প্রজেস্টরন সমৃদ্ধ খাবার বড়ি #আপন# গ্রহনকালীন সময়ে বা শেষ হওয়ার সাথে সাথে গ্রহন করতে হবে।

সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা,ব্রণ, মানসিক দুশ্চিন্তা/অবসাদগ্রস্ততা,অনাকাঙ্খিত ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস,তলপেট ভারি বোধ কররা,স্তনে ব্যথা/ভারি অনুভব করা,ফোটা ফোটা রক্তস্রাব বা দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে রক্তস্রাব,মাসিক বন্ধ থাকা ইত্যাদি।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter